
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে স্বতন্ত্র কমিশন গঠন করে চারটি বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনার দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।
এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘স্বতন্ত্রতা দাও, শিক্ষার্থীর জীবন বাঁচাও’, ‘ইঞ্জিনিয়ারস ডিজার্ভ এডুকেশন, নট এক্সপ্লোয়েশন’, ‘রিফর্ম দ্য সিস্টেম, সেভ লাইফ’, ‘যে নীতিতে ছাত্র মরে, সেই নীতি চলবে না’সহ নানা স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, এর আগে গত আগস্ট পর্যন্ত টানা ছয় মাস ধরে আন্দোলন চালিয়ে যান তারা। একপর্যায়ে দাবি আদায়ে আমরণ অনশনে বসেন চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। টানা ৭৫ ঘণ্টা অনশনের পর গত ১৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দেন। এরপর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত করে ক্লাসে ফিরে যান। তবে আন্দোলন স্থগিতের পাঁচ মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাজমুস শাহাদাত জিয়াস বলেন, আমরা ২০২৫ সালের শুরু থেকে টানা ছয় মাস আন্দোলন করেছি। অনশন ও অধিদপ্তর ঘেরাওয়ের পর সরকার আমাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়েছিল। সমস্যা সমাধানে একটি কমিটিও গঠন করা হয়। সেই কমিটি সুপারিশও করেছে। কিন্তু সরকার এখনো সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন করছে না।
জানা গেছে, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, বরিশাল ও সিলেটের চারটি বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক ও একাডেমিক জটিলতায় ভুগছে। কলেজগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্বৈত কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হওয়ায় পরীক্ষা, ফল প্রকাশ, সিলেবাসসহ বিভিন্ন বিষয়ে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ।
এই সংকট থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে একটি স্বতন্ত্র কমিশন গঠনের দাবি জানিয়ে আসছেন শিক্ষার্থীরা। সর্বশেষ গত বছরের ১২ আগস্ট কারিগরি অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। পরে মন্ত্রণালয়ের আশ্বাসে ১৩ আগস্ট থেকে ‘আপাতত কর্মসূচি স্থগিত’ ঘোষণা করেন করেছিলেন তারা৷
আরএইচটি/এমএন
Dhakapost














