দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ জেলা ভোলার ভোলা-৩ আসনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এ আসনেও বইছে ভোটের আমেজ। গ্রাম-গঞ্জের চায়ের টেবিলে ভোটের হিসাব কষছেন ভোটাররা।
কয়েক জায়গায় আবার থেমে থেমে কিছুটা উত্তেজনা দেখা দিয়েছে জামায়াত-বিএনপির মধ্যে। বাগ্বিতণ্ডা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াচ্ছেন শক্তিমান দুই দল জামায়াত এবং বিএনপি।
বিএনপির ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত এ আসন পুনরুদ্ধার ও ধারাবাহিক জয়ের চেষ্টায় রয়েছেন তারা। এদিকে অতীতে এ আসনে জামায়াতের অবস্থান, আধিপত্য দুর্বল থাকলেও এবার তারা অনেক সক্রিয়। জামায়াত মনোনীত (বিডিপি)র তরুণ নেতার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং গোছালো নেতৃত্বকে শক্ত অবস্থান হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা এটিকে বিএনপির দুর্গে জামায়াতের হানা হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন ।
মেঘনা ও তেঁতুলিয়া বেষ্টিত ধান সুপারির দ্বীপ জেলা ভোলার তজুমদ্দিন এবং লালমোহন নিয়ে এ আসনটি গঠিত। এখানে সর্বশেষ হালনাগাদসহ মোট ভোটার রয়েছেন ৩ লাখ ১৫ হাজার ৩৩৪ জন। এরমধ্যে লালমোহন উপজেলায় রয়েছেন ২ লাখ ৬৩ হাজার ৩৪ জন এবং নদীভাঙন কবলিত তজুমদ্দিন উপজেলায় রয়েছে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৪ জন।
বিএনপির বর্তমান স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী। ধানের শীষের পক্ষে সভা-সমাবেশের মাধ্যমে প্রচার চালিয়ে আসছেন তার কর্মী-সমর্থকরা।
মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ তজুমদ্দিন-লালমোহন উপজেলার মানুষের কাছে মুক্তিযুদ্ধ, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ভোটারদের মন জয় করতে তার নির্বাচনি এলাকায় বিরামহীন প্রচার চালাচ্ছেন।
এদিকে, বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)’র জেনারেল সেক্রেটারি নিজামুল হক নাঈম ইতোমধ্যে ফুলকপি প্রতীক নিয়ে মাঠে প্রচারে এগিয়ে রয়েছেন বলে জানা গেছে। জামায়াতের কর্মী সমর্থকরা ফজর নামাজের পর হ্যান্ডমাইক হাতে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফুলকপি প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। এতে গ্রামের নারী ভোটাররা জামায়াতের এমন ব্যতিক্রম প্রচারে মুগ্ধ বলে জানান স্থানীয়রা।
















