আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে সব প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, তাদের যাচাই বাছাইয়ের কাজ চলছে সারাদেশের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে। যাচাই বাছাইয়ে জামায়াতের শীর্ষ একজন নেতাসহ বেশ কয়েকজন নেতার মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এছাড়া আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারাসহ বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নও বাতিল করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা।
কোথাও আবার আবার শর্তের বরখেলাপের পরও বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে বলে অভিযোগ করেছে এনসিপি।
এরই মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী, জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, বিএনপির বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ অনেকের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
এমন অবস্থায় নির্বাচন কমিশন ‘বিএনপি’র দিকে ঝুঁকছে বলেও অভিযোগ করেছে বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের কেউ কেউ।
এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, “রিটার্নিং কর্মকর্তাদের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে কোনো একটা দলের দিকে তারা ঝুঁকে আছেন। বড় অভিযোগ থাকার পরও বিএনপি প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা হচ্ছে। আবার সামান্য ভুলেও অন্য প্রার্থীদের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হচ্ছে”।
সোমবার ঢাকার ২০টি আসনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করা আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার মনোনয়ন বাতিল করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা।
নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য, লাভজনক পদে থেকে নির্বাচন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত জটিলতা, দ্বৈত নাগরিকত্ব বা ঋণ খেলাপি হলে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করতে পারেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
মনোনয়ন বাতিল নিয়ে প্রার্থী ও দলগুলোর এই অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকারের কাছে।
বিবিসি নিউজ বাংলা















