আজ ০৯ মার্চ ২০২৬, সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইনের (কায়কোবাদ) নেতৃত্বে যাকাত বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আস সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান যাকাত ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আলোচনা করেন
নয়ই মার্চ ২০২৬-এ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সেই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের প্রধান সিদ্ধান্ত ও আলোচনাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
বৈঠকের প্রধান সিদ্ধান্তসমূহ:
পর্যালোচনা কমিটি গঠন: যাকাত বোর্ডকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করতে ৫ থেকে ৭ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ধর্ম মন্ত্রণালয়কে আগামী ১০ দিনের মধ্যে এই কমিটির তালিকা চূড়ান্ত করতে বলা হয়েছে ।
বোর্ড পুনর্গঠন: বর্তমান যাকাত বোর্ড পুনর্গঠন করে এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামা এবং অর্থনীতিবিদদের অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।
মুসলিম বিশ্বের মডেল: প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন যে, সঠিক ও পরিকল্পিত যাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশ আগামীতে মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি রোল মডেল হবে ।
শায়খ আহমাদুল্লাহর প্রস্তাবনা ও বক্তব্য:
যাকাতের প্রভাব: আস-সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ উল্লেখ করেন যে, যথাযথ যাকাত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব ।
কাঠামোগত সংস্কার: তিনি যাকাত সংগ্রহ ও বণ্টনের প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, প্রযুক্তিবান্ধব এবং প্রাতিষ্ঠানিক করার ওপর জোর দেন, যাতে সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পায় ।
সক্রিয় অংশগ্রহণ: বৈঠকে তিনি যাকাত বোর্ডকে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের পরামর্শ দেন ।
বৈঠকে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন (কায়কোবাদ) আশ্বস্ত করেন যে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা হবে ।
















